
অভিভাবক-শিক্ষক-শিক্ষার্থী যোগাযোগে এডুম্যানঃ আধুনিক, দ্রুত ও দায়িত্বশীল সমাধান
বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বহু বছর ধরে একটি বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়ে আছে-
অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সময়মতো, সঠিক ও কার্যকর তথ্য আদান-প্রদান না হওয়া।
এই যোগাযোগের ঘাটতি শুধু ভুল বোঝাবুঝিই তৈরি করে না, বরং শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীর অগ্রগতি এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার গতিও ব্যাহত করে।
ঠিক এই জায়গাতেই Eduman একটি নির্ভরযোগ্য, সুশৃঙ্খল ও প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ সমাধান হিসেবে সামনে এসেছে।
এডুম্যানের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিডসউইন লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়হান নোবেল বলেন-
“পরিবার, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রয়াসেই শিক্ষা সর্বোচ্চ ফল দেয়; আর এর মূলভিত্তি হলো স্বচ্ছ যোগাযোগব্যবস্থা।”
এই দর্শন থেকেই Eduman এমনভাবে তৈরি হয়েছে, যাতে যোগাযোগ হয়-
Eduman ব্যবহারে অভিভাবকরা ঘরে বসেই সন্তানের শিক্ষা সম্পর্কিত সকল তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পেয়ে যান। যেমন-
এতে, সন্তানের অগ্রগতি সম্পর্কে অভিভাবকের সচেতনতা ও সম্পৃক্ততা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
Eduman শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজের চাপ কমিয়ে শিক্ষাদানে আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করে।
শিক্ষকদের সুবিধাসমূহ-
শিক্ষকরা তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ “শিক্ষাদানে” আরও বেশি সময় দিতে পারেন।
Eduman শিক্ষার্থীর জন্য এক কেন্দ্রে সব প্রয়োজনীয় তথ্য উপলব্ধ করে-
শিক্ষার্থীর পড়াশোনা হয় আরও সংগঠিত, শৃঙ্খলিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক।
Eduman যে বড় পরিবর্তনটি আনে তা হলো-
অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী– এই তিন পক্ষকে একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা।
এর ফলে-
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল যোগাযোগ-সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
Eduman শুধুমাত্র যোগাযোগই নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাকে সুশৃঙ্খল ও একীভূত করে।
এক প্ল্যাটফর্মেই সম্পন্ন করা যায়-
ভুল কমে, সময় বাঁচে, এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়।
অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী- এই তিন পক্ষকে একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে Eduman বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।
এটি শুধু যোগাযোগকে সহজ করছে না-
বরং তৈরি করছে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল ও তথ্যনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে-
“Eduman” স্মার্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।
"*" indicates required fields
WhatsApp us